
এক বছরেরও বেশি সময় কারাবন্দি থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের তিনবারের নির্বাচিত মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী।
বুধবার (৩ জুন) রাত সোয়া দশটার দিকে গাজীপুরের কাশি পুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন তিনি।
বিষয়টি মুঠোফোনে নিশ্চিত করেছেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন। তিনি বলেন, সাবেক এ সিটি মেয়র কারামুক্তির পর সরাসরি নারায়ণগঞ্জের দেওভোগে তার বাড়ির পথে রওয়ানা হয়েছেন।
গত বছরের ৯ মে এ বাড়ি থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় হত্যা ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে করা পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
এ পাঁচ মামলায় নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে উচ্চ আদালতে যান আইভীর পরিবারের সদস্যরা। হাই কোর্ট পাঁচ মামলায় অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিলে আরও পাঁচটি মামলায় আইভীকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখায় পুলিশ। যদিও এ নতুন পাঁচ মামলার এফআইআরে আইভীর নাম ছিল না।
পরে ওই পাঁচ মামলাতেও হাই কোর্ট জামিন দিলে পুলিশ আরো দুʼটি মামলায় আইভীকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখায়। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপক্ষ দশ মামলায় হাই কোর্টের জামিন আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল করে।
এতে একে একে ১২টি মামলায় জামিন পেলেও তার কারামুক্তি আটকে যায় বলে জানান তার আইনজীবীরা। গত ১৭ মে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালত আবেদনের বিষয়ে ‘নো অর্ডার’ আদেশ দিলে কারামুক্তির এ আইনি জটিলতার অবসান হয়।নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন বলেন, মামলার সকল কাগজপত্র বুধবার রাতে কারাগারে পৌঁছালে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন।